Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒প্রশাসনিক ধীরগতিতে ভোগান্তি চরমে

যশোর সদর উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কমিটি বিহীন

এখন সময়: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর , ২০২৬, ১১:১২:৪৬ পিএম

মিরাজুল কবীর টিটো : যশোর সদর উপজেলার অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজে কোনো ব্যবস্থাপনা কমিটি না থাকায় দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। দীর্ঘ ছয় মাস আগে আবেদন করা হলেও এখনো মেলেনি কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন। সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় ১০৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪৯টি মাদ্রাসা এবং ২১টি কলেজ রয়েছে। এর একটি বড় অংশই বর্তমানে কমিটি ছাড়া চলছে। অনুমোদন প্রক্রিয়ার জটিলতা নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি অনুমোদনের জন্য সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-র মাধ্যমে জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ে আবেদন করতে হয়। সেখান থেকে আবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয় এবং বোর্ড থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। তবে মাসের পর মাস পার হলেও বোর্ডের অনুমোদনের চিঠি এসে পৌঁছায়নি। উপশহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঈন উদ্দীন জানান, ছয় মাস আগে এডহক কমিটির আবেদন জমা দিলেও এখনো কোনো চিঠি পাননি। সভাপতি না থাকায় ব্যাংক থেকে টাকা তোলা সম্ভব হচ্ছে না; ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিলসহ দৈনন্দিন খরচ মেটানো দায় হয়ে পড়েছে। একই সংকটের কথা জানিয়েছেন শেখহাটী শফিয়ার রহমান একাডেমীর প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম ও নিউটাউন বাদশাহ ফয়সল ইসলামী ইন্সটিটিউটের প্রধান শিক্ষক এসএম রবিউল আলম। সদর উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার এসএম আশিক আহমেদ জানান-তার জানামতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই এখনো কমিটি গঠিত হয়নি। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরিয়ার হক বলেন-আবেদনগুলো প্রক্রিয়া শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ বলেন-তাদের কাছে আসা আবেদনগুলো শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক এনামুল কবীর ও কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর কবুয়াত আলী বিশ্বাস বলেন- তাদের দপ্তরের কাজ শেষ করে ফাইল বোর্ডের চেয়ারম্যানের টেবিলে পাঠানো হয়েছে। চেয়ারম্যান সই করলেই কমিটি গঠন করা সম্ভব হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ফারুখে আযম মো. আব্দুস ছালামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)