নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর আদালত চত্বরে হামিদুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে মারধর, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, চাঁদা দাবি এবং মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল থানার বড় আঁচড়া গ্রামের সোলেমান রহমানের ছেলে হামিদুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেছেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসিকে। মামলার আসামিরা হলেন বেনাপোল পোর্ট থানার সাদিপুর গ্রামের মুক্তার হোসেন, তার স্ত্রী তাওহিদা আক্তার স্মৃতি, একই গ্রামের মৃত জমাত মোড়লের ছেলে রায়হান হোসেন ও মৃত মুনসুর আলীল ছেলে সিয়াম আলী। মামলার অভিযোগে জানা গেছে , গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে যশোর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নিচতলায় গ্লাসের গেট দিয়ে প্রবেশ করে সিসি ক্যামেরার নিচে অবস্থানকালে আসামিরা তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও ধস্তাধস্তি করেন। এ সময় আসামিরা জামিনের জন্য খরচ হওয়া ৭০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি করেন এবং চাঁদার টাকা দিতে ও দ্রুত মামলা প্রত্যাহার করতে চাপ দেন। আসামি রায়হান হোসেন বাদীর পিঠ ও বুকে কিল-ঘুষি মারেন। আসামি সিয়াম আলী বাদীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং তাকে মারধর করেন। একই সঙ্গে মামলা প্রত্যাহার না করলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। চিৎকারে আদালতের বিচারপ্রার্থী, কোর্টের স্টাফ ও সাক্ষীরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে আসামিরা সেখান থেকে চলে যান। পরে সাক্ষীরা বাদীকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা নেন। বিষয়টি মীমাংসার ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে মামলা করেছেন।