নিজস্ব প্রতিবেদক : আদালতে মীমাংসিত ও খারিজ হয়ে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক সম্মানহানি, চাঁদাবাজি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় প্রেসক্লাব যশোরে ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন এ সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ?সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঝিকরগাছার বারবাকপুর ফুলপাড়ার বাসিন্দা এবং বর্তমানে যশোর শহরের ঝুট ও সাব-কন্টাক্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন জানান, গত দুই যুগ ধরে তিনি যশোরে সুনাম ও স্বচ্ছতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু তার ব্যবসায়িক উন্নতি দেখে ঝিকরগাছার সিওরদা গ্রামের আব্দুল করিম, কৃষ্ণনগর গ্রামের ওবায়দুল রহমান এবং শার্শার বাগআঁচড়ার কবিরুল ইসলাম নামে তিন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। ?তিনি অভিযোগ করে বলেন, চাঁদার টাকা না পেয়ে ওই চক্রটি ২০০৫ ও ২০০৭ সাল থেকে আমার বিরুদ্ধে কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যা পরবর্তীতে আদালতের আইনি প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি খারিজ হয়ে যায় এবং আমি নির্দোষ প্রমাণিত হই। কিন্তু সম্প্রতি তারা চাঁদাবাজির নতুন কৌশল হিসেবে আমার কাছে ৩৫ লাখ টাকা পাবে বলে ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে। ?আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, আব্দুল করিম নামের এক ব্যক্তি আগের মামলায় আমার কাছে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পেতেন বলে দাবি করলেও মামলা খারিজের পর অতি সম্প্রতি (গত ২১ জুন) দায়ের করা নতুন মামলায় (সিআর নং ৪৫৯/২৬) দাবি করেছেন ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাবে। যা তাদের চরম মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের বড় প্রমাণ। তাছাড়া ওবায়দুল রহমান নিজে মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে এখন আমার কাছে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার কাল্পনিক গল্প সাজাচ্ছেন। ?সংবাদ সম্মেলনে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাসমূহকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার অনুরোধ জানান। একই সাথে মীমাংসিত বিষয় নিয়ে বারবার মিথ্যা মামলা, অপপ্রচার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।