Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

অমিত, আশরাফুল ও ফজলে মাহমুদের সেঞ্চুরি, শাহাদাতের আক্ষেপ

এখন সময়: রবিবার, ৮ নভেম্বর , ২০২৬, ০৩:১০:৫৫ এম
অমিত, আশরাফুল ও ফজলে মাহমুদের সেঞ্চুরি, শাহাদাতের আক্ষেপ

চমৎকার ব্যাটিংয়ে ডাবল সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছেন অমিত হাসান, অল্পের জন্য তিন অঙ্ক ছুঁতে পারেননি শাহাদাত হোসেন। আগের রাউন্ডে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি করতে না পারার আক্ষেপ এবার ভুলিয়ে দিলেন অমিত হাসান। চমৎকার ব্যাটিংয়ে ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেন সিলেট অধিনায়ক। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়ে আরেকটি তিন অঙ্কের দেখা পেলেন তরুণ আশরাফুল হাসান। জাতীয় ক্রিকেট লিগের চতুর্থ রাউন্ডের তৃতীয় দিন শতরানের জাদুকরী স্পর্শ পেয়েছেন অভিজ্ঞ ফজলে মাহমুদও। এছাড়া অল্পের জন্য সেঞ্চুরির সুযোগ হাতছাড়া করেছেন শাহাদাত হোসেন। এই রাউন্ডেও বেশিরভাগ ম্যাচে নেই ফল আসার সম্ভাবনা। অমিত-আশরাফুলের সেঞ্চুরি কক্সবাজারে ড্রয়ের পথে সিলেট-খুলনা ম্যাচ। বৃষ্টিতে প্রথম দিন ভেসে যাওয়ার পর বাকি দুই দিনেও শেষ হয়নি ম্যাচের প্রথম ইনিংস। তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৭৫ রান। দিনের প্রথম ওভারেই ড্রেসিং রুমে ফিরে যান আগের দিন ১৬০ রান করা জাকির হাসান। আসাদুল্লাহ আল গালিবকে নিয়ে নিয়ে ৭৩ রান যোগ করেন অমিত হাসান। মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই ফিরে যান গালিব। এরপর সারা দিন আর সাফল্য পায়নি খুলনা। দিন শেষে ৪০১ বলে ২২২ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন অমিত ও আশরাফুল। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ১২তম সেঞ্চুরি করে ১৭১ রানে অপরাজিত অমিত। এই ইনিংসের সৌজন্যে ৪ হাজার রান পূর্ণ হয়েছে তার। এখন পর্যন্ত ২৯৬ বলের ইনিংসে ১১ চারের সঙ্গে তিনি মেরেছেন ২টি ছক্কা। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রথম সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া আশরাফুল আবার খেললেন তিন অঙ্কের ইনিংস। দিন শেষে তার সংগ্রহ ১০১ রান। ২০০ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ১৩টি চার। সংক্ষিপ্ত স্কোর সিলেট ১ম ইনিংস: (আগের দিন ২৮০/২) ১৬৭.৩ ওভারে ৫৭৫/৪ (জাকির ১৬০, অমিত ১৭১*, গালিব ৩৭, আশরাফুল ১০১*; মেহেদি ১৭.৩-২-৬৩-১, জিয়াউর ৭-২-২৬-০, সৌম্য ১০-১-৪৪-১, নাহিদুল ৩০-৪-৯৯-০, রাকিব ৩৮-৩-১৩৪-১, তানভির ৫১-৫-১৪৩-১, আফিফ ৭-২-৩৮-০, আজিজুল ৭-০-২১-০) ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কায় রাজশাহী রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ঢাকার বিপক্ষে ফলো-অনে পড়ে রাজশাহী। ঢাকার ৫২১ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ১৬২ রানে গুটিয়ে যায় তারা। তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২১৫ রান। ইনিংস পরাজয় এড়াতে করতে হবে আরও ১৪৪ রান। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ১০৩ রান নিয়ে সোমবার খেলা শুরু করে রাজশাহী। আর ৫৯ রান যোগ করে বাকি ৪ উইকেট হারায় তারা। ৩৫৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে অল্পেই ফিরে যান হাবিবুর রহমান। আরেক ওপেনার সাব্বির হোসেন খেলেন ৯ চারে ৫২ রানের ইনিংস। চার নম্বরে নেমে অধিনায়ক প্রিতম কুমার ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই। আগের রাউন্ডে ডাবল সেঞ্চুরি করা তরুণ নাঈম আহমেদকে নিয়ে ৮৮ রানের জুটি গড়েন সাব্বির রহমান। ৪৪ রান করে নাঈম ফিরলেও অবিচল সাব্বির। ম্যাচে দ্বিতীয় ফিফটি করে ৬৪ রানে অপরাজিত অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ঢাকা ১ম ইনিংস: ৫২১ রাজশাহী ১ম ইনিংস: (আগের দিন ১০৩/৬) ৪২.৩ ওভারে ১৬২ (ওয়াসি ৪, মেহেরব ৩৩, সানজামুল ১২, শফিকুল ৯, আসাদুজ্জামান ০*; সুমন ১৩-৩-৪৬-৪, রিপন ১১-২-৪৬-১, এনামুল ৬-০-৩৬-০, আরিফ ৩-০-১৫-০, তাইবুর ৪-১-৫-২, আমিনুল ৫.৩-২-১২-৩) রাজশাহী ২য় ইনিংস: (ফলো-অন) ৫৯.১ ওভারে ২১৫/৫ (হাবিবুর ২৪, সাব্বির হোসেন ৫২, নাঈম ৪৪, প্রিতম ০, সাব্বির রহমান ৬৪*, রহিম ১, মেহেরব ২২*; সুমন ৭-১-২৮-০, রিপন ১২-০-৬২-২, তাইবুর ১৭-৮-৩৮-১, আমিনুল ১৫-১-৫৩-১, এনামুল ৮.১-১-২৮-১) শাহাদাতের আক্ষেপ বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে তিন দিনেও শেষ হয়নি ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংস। তাই নিশ্চিত ড্রয়ের পথেই ম্যাচ। ময়মনসিংহের ৪৬৫ রানের জবাবে ৬ উইকেটে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৪২৪ রান। ম্যাচের তৃতীয় দিন চট্টগ্রামের চার ব্যাটসম্যান পঞ্চাশ পেরোলেও তিন অঙ্ক ছুঁতে পারেননি কেউ। ৯৪ রানে ইয়াসিন আরাফাতের বলে এলবিডব্লিউ হন শাহাদাত হোসেন। তাসামুল হকের সঙ্গে তিনি গড়েন ১০৪ রানের জুটি। তাসামুল ৬৩, সাব্বির হোসেন শিকদার ৫৪ ও ইরফান শুক্কুর ৫৩ রান করে আউট হন। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ময়মনসিংহ ১ম ইনিংস: ৪৬৫/৭ ডি. চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: (আগের দিন ১৩৪/২) ১২১ ওভারে ৪২৪/৬ (তাসামুল ৬৩, শাহাদাত ৯৫, সাব্বির ৫৪, ইরফান ৫৩, শাহ পরান ২৫*, মুরাদ ১*; আবু হায়দার ১২-২-৫৪-০, গালিব ১৪-৩-৩৪-০, ইয়াসিন ১৭-২-৫১-১, রকিবুল ৪২-৭-১২৫-৩, রিজান ৬-২-২৫-০, শুভাগত ২৯-৪-১১৫-২, আল আমিন ১-০-৭-০) রংপুরের বিপক্ষে বরিশালের লিড প্রথম তিন রাউন্ডে অসহায় আত্মসমর্পণ করা বরিশাল এবার রেখেছে ঘুরে দাঁড়ানোর ছাপ। সিলেটের একাডেমি মাঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রংপুরের বিপক্ষে লিড নিয়েছে তারা। তবে এই ম্যাচেও নেই ফল আসার সম্ভাবনা। তৃতীয় দিন বরিশালের হয়ে সেঞ্চুরির স্বাদ পান ফজলে মাহমুদ। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ১১তম শতক ছোঁয়ার দিনে ৭ হাজার পূর্ণ করেন ৩৯ ছুঁইছুঁই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। চার নম্বরে নেমে সব মিল্যে ১৫ চার ও ৪ ছক্কায় ২০০ বলে ১২৪ রান করেন ফজলে মাহমুদ। এছাড়া ৭৩ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। ফজলে মাহমুদ, আব্দুল্লাহদের ব্যাটে ৪১ রানের লিড পায় বরিশাল। সংক্ষিপ্ত স্কোর: রংপুর ১ম ইনিংস: ৪০২ বরিশাল ১ম ইনিংস: (আগের দিন ১৭৯/৩) ১২৪ ওভারে ৪৪৩/৯ ডি. (ফজলে মাহমুদ ১২৪, রুয়েল ১৫, হাফিজুর ৪১, আবদুল্লাহ ৬৭, মইন ১২, মইনুল ১৩, আবির ২*, কামরুল ৭*; মেহেদি ১৭-৩-৭৯-৩, লিওন ৩৩-১১-৮৫-০, শাহরিয়া ১৭-৪-৭৫-২, হাশিম ২৮-৪-৯৩-২, ইকবাল ৮-১-৩৯-০, আলাউদ্দিন ৮-১-১৮-০, মামুন ১১-২-৩৭-১, জাভেদ ২-০-৫-০) রংপুর ২য় ইনিংস: ২.৩ ওভারে ৫/০ (অনিক ২*, মিম ১*; কামরুল ১.৩-০-৪-০, রুয়েল ১-০-১-০)

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)