আলু, মরিচ ও রসুনের দাম বেড়েছে

এখন সময়: বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি , ২০২৩ ০২:২৫:১৪ am

মুর্শিদুল আজিম হিরু : যশোরের বাজারে আলু, কাঁচা মরিচ, রসুনের দাম বেড়েছে। এরমধ্যে আলুর দাম কেজিতে ৫ টাকা, রসুনের ২০ টাকা এবং কাঁচা মরিচের দাম হয়েছে দ্বিগুন। সবজির ভরা মৌসুমে দাম বাড়ছে। চাল, ডাল, ভোজ্য  তেল, পেঁয়াজের দাম আগের মত আছে। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে আলুর দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা। গত কয়েক দিনে বাজারে রসুনের সরবরাহ আগের তুলনায় অনেক কম। নতুন রসুন না আসা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভবনা নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ২৫ টাকা কেজি। ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় রসুন। প্রতি কেজি নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৩০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ১২০ টাকা কেজি।

শীতকালিন সবজির ভরা মৌসুমে দাম ঊর্ধ্বমূখি। গত কয়েকদিনের শীতে সবজির উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। এমধ্যে সবধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ টাক থেকে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি কেজি ফুল কপি বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাধা কপি। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হয় ৩০। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পালংশাক ও মুলা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় টমেটো। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হয় ৬০ টাকা।  ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতি কেজি কচুরলতি বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিষ্টি কুমড়া। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুশি। প্রতি পিচ লাউ বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় পেঁপে। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঝিঙে। প্রতি কেজি ধুন্দল বিক্রি ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় সবুজ শাক। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ৩০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মেটে আলু। প্রতি কেজি পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ব্রুকলি।

 

বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে পাওয়া যচ্ছে সয়াবিন তেল। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয় ১শ’৬৮ টাকা। ১শ’৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয় খোলা সয়াবিন তেল।  ১শ’৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ১শ’২৫ টাকা।

বাজারে চালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি নতুন-পুরাতন স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ৪৬ টাকা থেকে ৪৮ টাকা। ৫৪ টাকা থেকে ৫৬ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর-২৮ চাল। প্রতি কেজি কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৫৪ টাকা থেকে ৬০ টাকা। ৭৫ টাকা থেকে ৭৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাঁশমতি চাল। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হয় ৬২ টাকা থেকে ৬৬  টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫২ টাকা কেজি বিক্রি হয় বিআর- ৪৯ চাল। প্রতি কেজি বিআর-১০ চাল বিক্রি ৫২ টাকা থেকে ৫৪ টাকা।

বাজারে ডালের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’৪০ টাকা। ১শ’ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮৫ টাকা। ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’৩০ টাকা।