যশোরে ইউপি মেম্বারসহ দুই ভাইয়ের ওপর হামলা ভাঙচুর ও লুট, মামলা

এখন সময়: সোমবার, ৪ মার্চ , ২০২৪, ১০:১৫:১৮ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া ও তার ভাই মিলন মিয়াকে মারপিট, বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর এবং নগদ সাড়ে ৭ লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনার ১০দিন পর কোতয়ালি থানায় মামলা হয়েছে।

আব্দুর রহিমের ভাই উত্তর ললিতাদাহ গ্রামের আব্দুল মালেক ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২/৩ জনের নামে গত রোববার মামলাটি করেন।

আসামিরা হলো, একই গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ৫ ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪০), মিলন হোসেন (৩২), ইব্রাহিম হোসেন (৫৫), আবু সাঈদ (৫৩), মোশারফ হোসেন (৩৫), ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে সাদ্দাম মীর্জা (৩৩), মৃত আমিনউল্লাহর ছেলে আবুল হোসেন (২৮), আবু সাঈদের ছেলে আলিফ (১৯), কেফায়েতুল্লাহর ছেলে কামরুল ইসলাম (৩৫) এবং আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুস সাত্তার (৪২)।

এজাহারে আব্দুল মালেক উল্লেখ করেছেন, তার ভাই আব্দুর রহিম ও আসামি ইব্রাহিম হোসেন গত ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তার ভাই জয় লাভ করায় ইব্রাহিম হোসেন ও তার পক্ষীয়রা ক্ষিপ্ত হয়। তার ভাইকে নানা ভাবে ক্ষতির ষড়যন্ত্র করতে থাকে। গত ২৩ নভেম্বর বেলা ১২টার দিকে ভাই ভাই আব্দুর রহিম ও মিলন মিয়া মোটরসাইকেলে করে বাড়ি থেকে ইউনিয়ন পরিষদের যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সাদ্দাম মীর্জার বাড়ির সামনে পৌঁছালে তাদের গতিরোধ করে আসামিরা। পরে একটি দা দিয়ে মিলন মিয়াকে কোপ মারলে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান। তার প্যান্টের পকেট থেকে সার ব্যবসার নগদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা নিয়ে নেয় আসামিরা। সে সময় আব্দুর রহিম ঠেকাতে গেলেও তাকেও মারপিটে জখম করে। গায়ের জামা খুলে হাত বেঁেধ  রাখে। এরপর আরো মারপিট করে। সংবাদ পেয়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রী খাদিজা সেখানে গিয়ে ঠেকাতে গেলে তাকেও মারপিট ও শ্লীলতাহানী ঘটায়। পরে আসামিরা বড় ভাইয়ের বাড়িতে ঢুকে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। সেখান থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার ৯শ’ টাকা চুরি করে নেয়। ভাংচুর করে ৯৫ হাজার টাকা ক্ষতি করে।

সে সময় চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ফের হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। আব্দুর রহিম মিয়া ও মিলন মিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের যশোর জেনারেল হাসাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনার ১০দিন পর মামলা হিসাবে রেকর্ড করে।