যশোরে সোলায়মান ও ইমন হত্যা মামলার ১০ আসামি কারাগারে

এখন সময়: শনিবার, ২০ এপ্রিল , ২০২৪, ০৮:৫৯:১২ এম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরে পৃথক দুটি হত্যা মামলায় আত্মসমপর্ণকারী দুই ভাইসহ ১০ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার সোলায়মান ও সদরের কচুয়ায় নিমতলীর ছাত্রলীগ কর্মী রাকিবুল ইসলাম ইমন হত্যা মামলার এসব আসামিরা মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করেন। অতিরিক্তি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লস্কর সোহেল রানা ও  জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহম্মেদ আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

সোলায়মান হত্যা মামলায় শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম ও সুজন এদিন আত্মসমর্পণ করে। এ ছাড়া রাকিবুল ইসলাম ইমন হত্যা মামলার আসামি সদরের কচুয়ার নিমতলীর সোনাই মোল্লার ছেলে আফজাল হোসেন, আব্দুল হাকিম ধাবকের ছেলে সামাদ ধাবক, নিমচাঁদের ছেলে ইকরাম হোসেন, আহমদ আলী ধাবকের ছেলে হাফিজুর রহমান ধাবক, আব্দুল জলিলের ছেলে ইসমাইল হোসেন, আমিন গাজীর ছেলে মোহাম্মদ আলী, দিয়াপাড়া গ্রামের তোরাব হোসেনের ছেলে টিটো হোসেন ও মামড়াখোলা গ্রামের সাঈদ মাস্টারের ছেলে নুরে আলম আত্মসমর্পণ করেন।

সোলায়মান হত্যা মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার বাসিন্দা সোলায়মান হোসেন সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আসমা খাতুন ৫ জনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। এর আগে হত্যা মামলাটির অন্য দুই আসামি জনি ও আরাফাত আদালতে আত্মসমর্পণ করে। এখনো পলাতক রয়েছেন মামলার অন্যতম আসামি সন্ত্রাসী মেহেদী হাসান।

আরেকটি মামলার অভিযোগে জানা গেছে, নিহত রাকিবুল ইসলাম ইমন সদরের শাহাবাটি গ্রামের শাহাবুদ্দিন গাজীর ছেলে। ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর রাতে কচুয়ার নিমতলীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন ইমন। ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন দুপুরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের পিতা শাহাবুদ্দিন গাজী ১২ জনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। মঙ্গলবার এ মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক নামঞ্জুর করে কারগারে পাঠানোর আদেশ দেন।