ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে নির্বাচন ছিল একটি জরুরী বিষয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আন্তরিক সহযোগিতা ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। আমাদের দল আসন কম পেলেও ভোটের পার্সেন্টেজে আলহামদুলিল্লাহ অনেক এগিয়েছে। নির্বাচিত দল বিএনপি দু’শতাধিক আসন পেলেও ভোটের পার্সেন্টেজে আমরা মাত্র ২.৭% পিছিয়ে। ফলে জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে সত্য কিন্তু নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অনেক আগে থেকেই চলে আসছে আমাদের দেশে। আপনারা টেলিভিশনে দেখেছেন সংবাদমাধ্যমে জেনেছেন আমাদের আমীরের জামায়াতসহ এগারো দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ইসিতে ৩০টি আসনের ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হয়েছে। জনগণ মনে করে টেম্পারিং বা বিভিন্ন ম্যাকানিজম করে আমাদেরকে হারানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনের পরের রাতেই গেজেট প্রকাশ করে জনগণের সে ধারণাকে আরো গভীর করে তুলেছে। তাই নির্বাচনের এ ফলাফলে আমাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই।
রোববার সকাল ৮টায় ফুলতলার আইডিয়াল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনোত্তর কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। উপজেলা আমীর অধ্যাপক আঃ আলিম মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, সেক্রেটারী মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারী মুন্সী মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাষ্টার শেখ সিরাজুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা আল মুজাহিদ, জেলা শিবির সভাপতি মোঃ ইউসুফ ফকির। উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা সাইফুল হাসান খাঁনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, কর্মপরিষদ সদস্য ডঃ আজিজুল হক, যুব বিভাগের সভাপতি শেখ মোঃ আলাউদ্দিন, পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম জমাদ্দার, দামোদর ইউনিয়ন আমীর ইঞ্জিঃ শাব্বির আহমদ, সেক্রেটারী মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, জামিরা ইউনিয়ন আমীর মোঃ শরিফুল ইসলাম, সেক্রেটারী মাষ্টার মিজানুর রহমান, ফুলতলা ইউনিয়ন আমীর মাষ্টার মফিজুল ইসলাম, সেক্রেটারী হাফেজ গাজী আল আমিন, শিবির সেক্রেটারী মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম মাহির প্রমুখ।