Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒যশোরসহ বিভিন্নস্থানে নানা আয়োজন

বর্ষবরণে বর্ণিল উৎসবে মানুষের ঢল

এখন সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল , ২০২৬, ০১:৪৭:৫৬ এম

স্পন্দন ডেস্ক : এসো হে বৈশাখ এসো এসো-পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার বর্ষবরণে মেতে ওঠে যশোরসহ বিভিন্নস্থানের মানুষ। প্রতিনিধিদের পাঠানো বিস্তারিত-
যশোর :
সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত জেলা শহর যশোরে বিভিন্ন প্রান্তে বর্ণিল আয়োজনের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ উৎসব। কবি গুরুর লেখা কালজয়ী গান ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ ছিল সকলের মুখে মুখে। সূরের মূর্ছনা, বৈশাখী শোভাযাত্রা আর রঙিন পোশাকে উৎসবের এক সুতোয় গেঁথেছে পুরো শহরবাসীকে। পাস্তা উৎসব, মিষ্টি মুখের আযোজন, আনন্দ-উৎসব, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে বিভিন্ন স্থান থেকে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে তারা। ভিন্নতা ভুলে নতুন বছরে ঐক্যের বার্তা নিয়ে সবার প্রত্যাশা পুরনোকে পেছনে ফেলে নতুন বছর বয়ে আনুক সুখ, শান্তি আর সমৃদ্ধি। পুরনোকে বিদায় আর নতুনকে বরণ এই প্রত্যয়ে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ।
মঙ্গলবার ভোরের আলো ফোটার আগেই পৌর উদ্যানে উদীচী, টাউন হল ময়দান সুরবিতান সংগীত একাডেমি, নবকিশলয় মাঠে বিবর্তন ও সুরধুনী এবং মুসলিম একাডেমি মাঠে পুরচ যশোরের উৎসব আয়োজন উপভোগ করতে শতশত নয়- হাজারে হাজার নানা বয়সী নর-নারীর কাফেলা সত্যিই এক অন্যরকম ভালোলাগা।
অধিকাংশ স্থানে ছিল প্রভাতী ও বৈকালী অনুষ্ঠান। তবে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত প্রশাসনের সময় বেদে দেয়ার কারণে হাজার হাজার নর-নারী অনুষ্ঠান উপভোগে অতৃপ্ত থেকেছে। বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে উপস্থিত হয়ে সকালের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
সকাল ৯ টায় টাউন হল ময়দান থেকে জেলা প্রশাসনের ব্যানারে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রার শোভাবর্ধনে এবং আকর্ষণীয় করতে চারুপীঠ এর উদ্যোগে ১৮ ফুট উচ্চতার বিশাল মোরগ-যা নতুন দিনের জাগরণের প্রতীক। পাশাপাশি ছিল শান্তির প্রতীক সেত কবুতর , শিয়াল, পেঁচা, বাঘসহ নানা প্রতিকৃতি। রাজা-রানির মুকুট, মুখোশ ও অসংখ্য ফেস্টুন শোভাযাত্রাকে করে তোলে আরো বর্ণিল।
এছাড়াও এস এম সুলতান ফাইন আর্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের তৈরি বিশাল হাতি, ঘোড়া, ময়ূর ও পালকি শোভাযাত্রায় রাজকীয় আবহ এনে দেয়। রঙিন মুখোশ, বিশাল প্রতিকৃতি, লোকজ শিল্পকর্ম, ঢাক ঢোলের তালে তালে নাচে-গানে মুখরিত ওটে পুরো শহর।
জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভা যাত্রাটি যাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম , জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, লোক সমাজের প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিতসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোভাযাত্রার অগ্রভাগে ছিলেন। শোভাযাত্রায় সকল সংগঠনের ছেলে মেয়ে অংশ নেয়।
বিকেল থেকে শহরের রাধারন মানুষের উপস্থিতির মাত্রা বহুবনেই বেড়ে যায়। পৌরসভা কার্যালয় এবং পৌর উদ্যান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। অনুষ্ঠানে সমাপ্তি ঘোষণা দেয়ার পরেও শহরের প্রাণকেন্দ্র টাউন হল ময়দান ছিল লোকে লোকারণ্য।
বর্ষবরণে পৌরপার্কে অনুষ্ঠান কবে উদীচী যশোর। প্রভাতী অনুষ্ঠান ভোর ৬টা ৩১ মিনিট থেকে বেলা ১১ টা এবং বৈকালী অনুষ্ঠান ৩টা ১মিনিটে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত। এ বছর উদযাপিত হয়েছে সংগঠনটির পৌর উদ্যানে বর্ষবরণ উৎসবের ৫০ বছর পূর্তি। ফলে এবারের ছিল দুইনের কর্মসূচি। বর্ষ বিদায় এবং বর্ষবরণ। সাড় তিনশর অধিক শিক্ষার্থী শিল্পী অংশ নেয় অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানে ছিল শাজাহান যাত্রাপালার অংশবিশেষ, পল্লী কবি জসিম উদ্দিনের গীতি আলেখ্য ‘ বেদের মেয়ে ‘। ছিল পঞ্চ গীতিকবির গান, আধুনিক গান, লোক ও ফোক সংগীত, লালন হাসন রাজার গান, নৃত্য ও আবৃত্তি।
টাউন হল ময়দানে দেশের প্রাচীনতম সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরবিতান সংগীত একাডেমির অনুষ্ঠান সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে শুরু হয় এবং শেষ হয় নয়টায়। বিকেল ৪ টা থেকে বৈকালী অনুষ্ঠান। এছাড়াও সংগঠন কার্যালয়ে ছিল মিষ্টি মুখের আয়োজন।
তিন শতাধিক শিল্পীর অনুষ্ঠানের সবটাই ছিল ভালোলাগার মতো।
নবকিশলয় স্কুল মাঠে বিবর্তন যশোর ও সুরধুনী সংগীত নিকেতনের যৌথ আয়োজন এবার বিশেষভাবে বার্তাধর্মী। ‘যুদ্ধ নয় শান্তি চাই’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ছিল সংগঠন দুটির যৌথ আয়োজন। সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির সমন্বয়ে ছিল বর্ণিল অনুষ্ঠান। শিশুদের ‘নাক কাটা রাজা’, ‘মামা ভাগ্নে’ এবং বড়দের ‘গুপ্তবিদ্যা’ নাটক দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ ও পুনশ্চ যশোর তাদের বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ আয়োজনেও এনেছে বৈচিত্র‍্য।
চৈত্রসংক্রান্তির বিকেলে টাউন হল ময়দানের শতাব্দি বটবৃক্ষ তলে এবং বর্ষবরণ অনুষ্ঠান মুসলিম একাডেমি মাঠে প্রভাতী অনুষ্ঠান ভোর ছয়টা ৩০ মিনিটটে এবং বৈকালী অনুষ্ঠান ৪টায়। অনুষ্ঠানের ডালিতে ছিল পঞ্চকবির গান, পালা গান, কবি গান, আধুনিক গান, লোক সংগীত, লোক নৃত্য, সমবেত সঙ্গীত, তবলার লহরী, আবৃত্তি সব মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে এক সাংস্কৃতিক মহোৎসব।
চাঁদের হাট যশোরের আয়োজনে ছিল সংগঠন কার্যালয়ে মিষ্টি মুখের আয়োজন এবং বিকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংগঠন কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠান সকলকে মুখরিত করেছে।
যশোর সাহিত্য পরিষদে বেলা ১১ ছিল কবিতা আবৃত্তি, কবিতা পাঠ, বৈশাখী আড্ডা ও মিষ্টি মুখের আয়োজন। এসময় ১৫ কবি সাহিত্যিক তাদের লেখা থেকে আবৃত্তি করে শোনায়।
নাট্য সংগঠন শব্দ থিয়েটার লালদীঘির পাড়ে পথে নাটক ‘বলবান’। এছাড়াও ছিল গান,নৃত্য ও আবৃত্তি।
কিংশুক সংগীত শিক্ষা কেন্দ্র সংগঠন প্রাঙ্গণে সকাল সাতটায় প্রভাতেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে ছিল সমবেত ও একক সংগীত, ও নৃত্য।
প্রেসক্লাব যশোরের গোলাম মাজেদ অডিটোরিয়ামে সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের আয়োজনে ছিল সন্ধ্যায় মিষ্টি মুখের আয়োজন ও সংগীত অনুষ্ঠান। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ রাজনীতি নেতৃবৃন্দ।
বর্ষবরণে যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে ঈদগাহ ময়দানের উত্তর কর্নারে ১৩ টি ইসলামিক ধারার সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে ছিল কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক সংগীত, লোকগীতি ও নাট্যাংশ। জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এবং যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক সভাপতিত্ব করেন।
যবিপ্রবি :
সকাল সাড়ে ৯টায় যবিপ্রবির প্রধান ফটকের সামনে থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বাংলা বর্ষবরণের কর্মসূচি শুরু হয়।
বর্ষবরণের কর্মসূচির শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিকের সামনে দিয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবন হয়ে যবিপ্রবির কড়ই তলার সামনে এসে শেষ হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন এর নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে যবিপ্রবির শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
শোভাযাত্রা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কড়ই তলায় অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের অংশগ্রহণে যেমন খুশি তেমন সাজো। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে পান্তা-মাছসহ বাঙালি ভোজ করেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। এরপর বিকাল সাড়ে ৩ টায় উদ্যোক্তা মেলা ১৪৩৩ এর শুভ উদ্বোধন করেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। বিকাল সাড়ে ৫ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নতুন বছর আমাদের সকলের জন্য শুভ হোক। নতুন বছরের প্রত্যাশা সকল গ্লানি মুছে যাক, জরা ঘুচিয়ে নতুনভাবে প্রস্ফুটিত হোক এই কামনা করি।
পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উদযাপন কমিটির আহবায়ক ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজকের এই বৈশাখ উৎসবে অংশগ্রহণ করে প্রাণবন্ত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরপ্রধানগণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
কেশবপুর :
গান-কবিতা-নৃত্য-কথা, বৈশাখী শোভাযাত্রা ও মিষ্টিমুখের মধ্য দিয়ে জাঁকজমকপূর্ণভাবে নতুন বছরকে বরণ করে নিল চারুপীঠ একাডেমি। মঙ্গলবার সকালে শহরের শহীদ দৌলত বিশ্বাস চত্বরে বাংলা নববর্ষ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কবি ও লেখক মুহম্মদ শফি।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চারুপীঠ একাডেমির সভাপতি লেখক তাপস মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য দেন চারুপীঠ একাডেমির নির্বাহী পরিচালক উৎপল দে। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, পৌর জামায়াতের আমির প্রভাষক জাকির হোসেন, বাংলাদেশ সাহিত্য সেবা সংসদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোতাহার হোসাইন, উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী সম্রাট হোসেন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিরাজ বিশ্বাস। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চারুপীঠ একাডেমির পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহবায়ক শামীম আক্তার মুকুল ও সদস্য সচিব মঞ্জুরুল হোসেন ডাবলু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চারুপীঠ একাডেমির সহসভাপতি মানব মন্ডল। পহেলা বৈশাখের এ অনুষ্ঠানে চারুপীঠ একাডেমির শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা মুগ্ধ করে দর্শকদের।
শ্রীপুর (মাগুরা) :
৩ দিনব্যাপী মাগুরার শ্রীপুরে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। উপজেলা চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে এসে শেষ হয়। উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ছিলেন শ্রীপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন কবির, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাড. আব্দুর রশিদ, শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফুল আলম জোয়ার্দার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বদরুল আলম হিরো, শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ড. মুসাফির নজরুল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শিকদার মঞ্জুরুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খন্দকার আব্বাস উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুহুল আমিন পাপন, উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা মো. আবদুল গণিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
পরে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক ও শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আশরাফ হোসেন পল্টুর সঞ্চালনায় ও একাডেমির শিল্পীবৃন্দ এবং স্থানীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বাগেরহাট :
সকালে স্টেডিয়ামে সম্মিলিত সংগীতের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় । এরপর ব্যানার ফেস্টুন সম্বলিত একটি র‌্যালি শুরু হয়ে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে এসে শেষ হয় । এখানে আলোচনা সভাশেষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় । প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেসক্লাব সভাপতি আবু সাঈদ শুনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পান্তা ইলিশের অপ্যায়নে পুর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন বাগেরহাট- ২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন, পুলিশ সুপার চৌধুরী আবুল হাসান, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটন । এদিকে হামদর্দ চিকিৎসা ও বিক্রয় কেন্দ্রের সন্মুখের রাস্তায় পথচারীদের শরবত খাইয়ে আপ্যায়িত করেন হাকীম হাবিবুর রহমান ও তার সহকর্মিরা ।
শরলখোলা (বাগেরহাট) :
সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য রেলি রায়েন্দা বাজারের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাঁচ রাস্তার মোড় হয়ে আবারো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ হয়। এছাড়া উপজেলার শরণখোলা সরকারি কলেজ, তাফালবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজ, শরণখোলা আইডিয়াল ইনস্টিটিউট, রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাই স্কুল, মেরিট একাডেমি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বর্ষবরণ পালন করে।? এছাড়া উপজেলা প্রশাসন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পান্তা ইলিশের আয়োজন করে।
আশাশুনি :
বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডুর নেতৃত্বে আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নজরুল ইসলাম, মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আঃ রব, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম আহমদ খান, সরকারি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াত আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আঃ হান্নান, প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ, আশাশুনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দের অংশ গ্রহনে বাঙালী সাজে সজ্জিত হয়ে বিভিন্ন গ্রামীন ঐতিহ্য ও বাদ্য যন্ত্রের ঝংকার সহকারে শোভাযাত্রাটি উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে শোভাযাত্রার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে হাড়ীভাঙ্গা খেলা, পরিষদের পুকুরে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা ও বিকালে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য লাঠি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকালে পান্তা ভাত খাওয়া অনুষ্ঠান করা হয়। কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সকল অংশগ্রহনকারীরা পান্তাভাত খাওয়া অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তৃপ্তি সহকারে খানা গ্রহন করেন।
প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ক্লাব সভাপতি এস কে হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জি এম মুজিবুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এস এম আহসান হাবিব, সাবেক সহ সভাপতি আলী নেওয়াজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিংকন আসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সদস্য আলাউদ্দীন ও হাবিবুল্লাহ বিলালী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলা নববর্ষের দাবীসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তাগণ আলোচনা রাখেন।
মাগুরা :
মাগুরা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালেক্টরেট চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রায় মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলি আহমদ, জেলা প্রশাসক আব্দুল আল মাহমুদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শামীম কবিরসহ মাগুরার বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি মাগুরা শহর প্রদক্ষিণ শেষে শহরের নোমানী ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নেয় মাগুরা শিল্পকলা একাডেমী সহ স্থানীয় শিল্পীরা। বাংলা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নোমানী ময়দানে দুই দিন ব্যাপী মেলায় ১৫ টি স্টল অংশ নিয়েছে। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে পালন করছে নানা আয়োজন। অপরদিকে,বিকালে সরকারি কলেজ চত্বরে সপ্তক সাহিত্য চক্র ও অনির্বাণ সাহিত্য চক্রের আয়োজনে বর্ষবরণ উৎসব উপলক্ষে আবৃত্তি,লোকজ গান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অনির্বাণ সাহিত্য সংসদের সদস্যরা অংশ নেন।
নোমানী ময়দানে মাগুরায় লোকজ সংস্কৃতির অংশ হিসেবে লাঠিখেলা ও ঝাপাং খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলমডাঙ্গা :
আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা, লোকজ মেলা এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা, সাপ খেলা, সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়েছে নতুন বছরকে। সকাল ৯টায় আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। বৈশাখী সাজে সজ্জিত হয়ে ঢাক-ঢোলের তালে তালে নতুন বছরকে স্বাগত জানান আলমডাঙ্গাবাসী। র‌্যালি শেষে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা উদ্বোধন করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আক্তার।
মোংলা :
বাগেরহাটের মোংলায় অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩।
সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় মোংলা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মোংলা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জুলফিকার আলী শিক্ষক শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
দেবহাটা (সাতক্ষীরা) :
দেবহাটা উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র?্যালি, আলোচনা সভা, লাঠি ও সাপ খেলাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য র?্যালী বের করা হয়। র?্যালিটি ঘোড়ার গাড়ি ও নানা রংয়ের ফেস্টুন ব্যানারসহ উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নির্ধারিত বনবিবির বটতলায় গিয়ে শেষ হয়। র?্যালিতে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
ফকিরহাট (বাগেরহাট) :
ডাকাবাংলো মোড় থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর এসে শেষ হয়।
পরে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ষ উপজেলা প্রশাসন বনাম সুধিজনদের মধ্যে দড়াটানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ষবরণ উৎসব ঘিরে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্ত্বরে বিভিন্ন স্টলে পিঠাসহ বিভিন্ন পসরা নিয়ে বসেন দোকানীরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রোকনুজ জামান। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শোভা রায় ও মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার আসাদুজ্জাানের উপস্থপনায় এসময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শরীফ নেওয়াজ, সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো: রাসেদুল ইসলাম রানা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ সাখাওয়াত হোসেন, মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আসাদুল্লাহ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: গোলাম মোস্তফা, ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, সমবায় কর্মকর্তা মিলন কুমার দাশ, সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস, হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা খান আসাদুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহিরা খাতুন, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম আনন্দ কুমার কুন্ডুসহ বিভিন্ন সররকারী দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মি ও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
কপিলমুনি (খুলনা) :
পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন করেছে কপিলমুনি সম্মিলিত বর্ষবরণ উদ্যাপন কমিটি। কে কে এস পি’ র ব্যবস্থাপনায় বর্ষবরণ কমিটির আয়োজনে দিনটিতে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সকল অনুষ্ঠানেই জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মত।
সকাল ৭ টায় প্রভাতফেরী অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় স্থাণীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, কে কে এস পি, সিটি প্রেসক্লাব, বণিক সমিতি, পেশাজীবি সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষ। ৮ টায় কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে উৎসব মুখর পরিবেশে পান্তা’র আসর বসে।
এরপর চেয়ার সিটিং, মোরগ লড়াই, ভারসাম্য দৌঁড়, নৃত্য প্রতিযোগীতা, সংগীত প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন সম্মিলিত বর্ষবরণ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক ও কে কেএস পি র আহবায়ক এম আজাদ হোসেন ও সদস্য সচিব মোঃ মহসীন খান। বিকাল ৩ টায় ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। হাঁটার সাথী পাইকগাছা একাদশ বনাম চলার সাথী কপিলমুনি একাদশের মধ্যকার খেলায় হাঁটার সাথী একাদশ বিজয়ী হয়। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পাইকগাছা (খুলনা) :
পহেলা বৈশাখ সকালে বর্ণিল বৈশাখী শোভাযাত্রা প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা এসে শেষে হয়।
শোভাযাত্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি, পালকি ও বিভিন্ন লোকজ উপকরণ স্থান পায়। এতে উপজেলা প্রশাসন, এসডিএফ, পাইকগাছা সরকারি কলেজ, ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে।
উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৈশাখী মেলায় মোট ১৪টি স্টল স্থান পায়। প্রতিটি স্টলে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ও নান্দনিক সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভা প্রশাসনের মধ্যে এক প্রীতি ভলিবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে। অপরদিকে গদাইপুর ফুটবল মাঠে স্থানীয় আয়োজক কমিটি চৈত্র সংক্রান্তির মেলা ও বৈশাখী উৎসব উদযাপন পরিষদের আয়োজন ৩ দিন ব্যাপী মেলা ও সাংস্কৃতিক করা হয়।
উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। এসডিএফ কর্মকর্তা জিএম জাকারিয়ার সঞ্চালনায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফজলে রাব্বী, ডাঃ ফারজানা ইয়াসমিন লিসা, পাইকগাছা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আহসানারা বিনতে আহমেদ,বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক নাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ উৎপল কুমার বাইন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, কৃষিবিদ একরামুল হোসেন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ পার্থ প্রতিম রায়, ওসি (অপারেশন) জুলফিকার আলি, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লালু সরদার, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)