ফুলতলা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার ফুলতলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে (১৮) ধর্ষণ এবং গোপনে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত শিক্ষক মেহেদী হাসান সবুজ (৩৮) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভিকটিমের বক্তব্য ২২ ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফুলতলা থানার এসআই শফিউজ্জামান বলেন- সরকারি ফুলতলা মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১৩ জানুয়ারি সকাল ৯টায় নিজ বাড়িতে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ফুলতলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান সবুজকে আসামী করে ওই শিক্ষার্থীর মা বাদি হয়ে ফুলতলা থানায় মামলা করেন। ওই দিনই সন্ধ্যায় শিক্ষক সবুজকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে খুলনার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আলতাফ হোসেনের খাস কামরায় হাজির করা হয়। বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে একই দিন ভিকটিমকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
প্রসঙ্গত- ওই শিক্ষার্থী ফুলতলা সরকারি বালিক উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াকালিন সময় থেকে শিক্ষকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক পড়ে ওঠে। তারই সূত্র ধরে সর্বশেষ গত ১৩ জানুয়ারি বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং গোপনে তার ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।