কেশবপুর প্রতিননিধি : কেশবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের আলতাপোল গ্রামের ২৩ মাইল এলাকার নববধূর তাসলিমা খাতুন (৩৫) এর গর্ভে ৬ মাসের অবৈধ সন্তান থাকায় বিয়ের ১২ দিনের মাথায় তালাক দিয়ে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে।
উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে দত্তনগর গ্রামের তাসলিমা খাতুনের সাথে উপজেলার সদর ইউনিয়নের আলতাপোল গ্রামের ২৩ মাইল এলাকার শহিদুল ইসলামের সাথে ১৫ দিন পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের ১২ দিন পরে ছেলে পক্ষ জানতে পারে নববধুর গর্ভে ৬ মাসের অবৈধ সন্তান রয়েছে। এই ঘটনার সত্যতা জানার জন্য তারা তাসলিমা খাতুনকে নিয়ে কেশবপুর পৌর শহরের বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে আল্ট্রাসনো করে জানতে পারে তাসলিমা খাতুনের গর্ভে ৬ মাসের সন্তান রয়েছে। এরপর ওই মেয়েকে দত্তনগর গ্রামে তার পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনা জানার জন্য গত ১৫ এপ্রিল দত্তনগর গ্রামে তাসলিমা খাতুনর পিতার বাড়িতে গেলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে পিতা মাতা ও কন্যাকে নিয়ে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এসময় আলাপ হলো তাসলিমা খাতুনের দাদির সাথে। তিনি সকল ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে বলেন মেয়েটির মানসিক সমস্যা রয়েছে। যার কারণে তার বিয়ে হতো না। ইতোমধ্যে গ্রামের তার আপন চাচাতো ভাই কালাম বিশ্বাসের পুত্র আল মামুন (১৬) তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে গর্ভে এই সন্তান আসছে। এই বিষয়টি তাদের জানা ছিলনা। বিয়ের ১২ দিন পরে তার শ্বশুর বাড়ির লোকেরা ঘটনাটি তাদের জানিয়ে মেয়েকে তার পিতার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে। এদিকে অবৈধ সন্তানের পিতা সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের আবুল কালাম বিশ্বাস, তার মাতা ও আল মামুন (১৬) তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।