নিউজ ডেস্ক : ইরান হরমুজ প্রণালি সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম নাটকীয়ভাবে কমেছে; চাঙ্গা হয়ে উঠেছে শেয়ার বাজার।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি শুক্রবার এক এক্স পোস্টে বলেন, লেবাননে চলমান যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অবশিষ্ট সময় হরমুজ প্রণালি সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ৯ শতাংশ কমে ৯০ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দাম ১০ শতাংশ কমে ব্যারেল প্রতি ৮১.৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
যদিও এ দাম যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের চেয়ে বেশি, তারপরও এটা গত মার্চের সর্বোচ্চ পর্যায়ের তুলনায় অনেক কম। সে সময় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছিল।
প্রণালি উন্মুক্ত হওয়ার খবরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুঁজিবাজারেও চাঙ্গাভাব দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি দরের শেয়ারগুলোর দাম এই খবরে আরও বেড়েছে। ইউরোপের ‘স্টক্স ৬০০’ সূচক ১.৩ শতাংশ এবং এসঅ্যান্ডপি ফিউচার ০.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পেপারস্টোনের সিনিয়র রিসার্চ স্ট্র্যাটেজিস্ট মাইকেল ব্রাউন বলেন, “উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা যখন বাড়বে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য সরবরাহ যখন যুদ্ধপূর্ব স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া যাবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব অর্থনীতির একটি বড় ঝুঁকি দূর হবে। এ কারণেই বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।”
প্রণালি উন্মুক্ত হওয়ার খবরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুঁজিবাজারেও চাঙ্গাভাব দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি দরের শেয়ারগুলোর দাম এই খবরে আরও বেড়েছে। ইউরোপের ‘স্টক্স ৬০০’ সূচক ১.৩ শতাংশ এবং এসঅ্যান্ডপি ফিউচার ০.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পেপারস্টোনের সিনিয়র রিসার্চ স্ট্র্যাটেজিস্ট মাইকেল ব্রাউন বলেন, “উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা যখন বাড়বে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য সরবরাহ যখন যুদ্ধপূর্ব স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া যাবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব অর্থনীতির একটি বড় ঝুঁকি দূর হবে। এ কারণেই বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।”
সরকারি বন্ডের বাজারেও বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বেঞ্চমার্ক ১০ বছর মেয়াদী ট্রেজারি ইল্ড ৭ বেসিস পয়েন্ট কমে ৪.২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ের পর সর্বনিম্ন।
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার যুদ্ধপূর্ব অবস্থানে ফিরলেও বন্ডের বাজার এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। যুদ্ধের প্রভাবে উচ্চ জ্বালানি মূল্যের কারণে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, ফলে ইউরোপীয় বন্ডের বিক্রি বেশি হয়েছিল। তবে শুক্রবার পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সুদের হার কমার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।
জার্মানির ১০ বছর মেয়াদী বন্ডের ইল্ড ৮ বেসিস পয়েন্ট কমে ২.৯৬ শতাংশে এবং ব্রিটেনের ২ বছর মেয়াদী বন্ডের ইল্ড ১৫ বেসিস পয়েন্ট কমে ৪.১০ শতাংশে নেমেছে।
এদিকে মুদ্রাবাজারে ডলারের দামও কিছুটা কমেছে; জাপানি ইয়েনের বিপরীতে ডলারের মান ০.৬ শতাংশ কমেছে এবং ইউরোর মান বেড়ে ১.১৮৪৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।