মাগুরা প্রতিনিধি : কোম্পানির চাকরি করি। গাড়িতে কোনো তেল নেই। ১০ঘন্টা লাইন দাঁড়িয়ে থেকে তেল পাইনি । বৃস্পতিবার ভোর চারটার সময় লাইনে দাঁড়িয়েছি তেল নেব বলে এখন পর্যন্ত কোনো তেল পাইনি। জ্বালানি তেল না হলে হাটে বাজারের মার্কেটে যেতে পারব না। কোম্পানির চাকরি মার্কেটে না যেতে পারলে চাকরি থাকবে না। তাই আজ বাড়ি থেকে খাবার সাথে করে নিয়ে এসেছি। যে করেই হোক আজ তেল নিতে হবে। এ ভাবেই জ্বালানি তেল নিতে এসে কথাগুলো বলছিলেন তোহিদুর রহমান নামের এক মোটর সাইকেল চালক। শুধু তোহিদুর রহমান নয়। ওনার মত অনেকেই ভোর রাত থেকে জ্বালানি তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছে।
তবে কিছু পাম্পে প্রাইভেট কার, সরকারি জরুরী সেবায় নিয়োজিত গাড়িতে তেল নিতে দেখা যায়।
কেউ তেল পাচ্ছেন। আবার অনেকেই লাইনের মাঝ পথে থেকেই সংবাদ পা্চ্েছন তেল নেই। এভাবে গোটা দেড় মাস ধরে ভোগান্তি মাথায় নিয়ে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করেছেন যানবাহন চালক, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
মাগুরা ফাতেমা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে মোটরসাইকেল আরোহিদের লাইন দীর্ঘ। অনেক সময় তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়ছেন।
পেট্রোল, অকটেন, ডিকেল জ্বালানি তেলের চাহিদার তুলনায় ডিপো থেকে সরবরাহ কম থাকায় এমন ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান পাম্প কর্তৃপক্ষ।
মাগুরা সদর উপজেলা নির্বাহী কমকর্তা মেহেরুন্নছা বলেন-মাগুরা প্রতিটা তেল পাম্পে জ্বালানি তেল রয়েছে তা সুষ্ঠুভাবে গ্রাহকদের মাঝে দেয়া হচ্ছে। জ্বালানি তেল সুষ্ঠুভাবে বণ্টনের জন্য প্রতিটা পাম্পে পুলিশ সদস্য রয়েছে। এছাড়া প্রতিটা তেল পাম্পে ভোগান্তি লাঘবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজর দানিতে রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তেল পাম্প গুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। কোথাও অনিময় পেলে মোবাইল কোটের মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। আশা করি অল্প সময়ে মধ্যে জ্বালানি সংকট সমস্যা কেটে যাবে।