নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সদরের বসুন্দিয়ার গৃহবধূ সাদিকা আক্তার মিম্মাকে হত্যার অভিযোগে স্বামীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। রোববার নিহত মিম্মার পিতা যশোর শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার ভাড়া বাসিন্দা সোহেল খন্দকার বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রে আছাদুল ইসলাম এ ঘটনায় থানায় কোন মামলা হয়েছে কিনা প্রতিবেদনসহ আদালতে জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন কোতয়ালি থানার ওসিকে।
আসামিরা হলো- যশোরের বসুন্দিয়ার প্রেমবাগ স্কুলের পিছন এলাকার ভাড়া বাসিন্দা ও খুলনা গল্লামারী ব্রিজ এলাকার হানিফ ও তার ছেলে সুজন ওরফে আকাশ এবং প্রেমবাগ এলাকার চায়না বাজার এলাকার আল আমিন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি সুজনের সাথে এক বছর আগে মিম্মার বিয়ে হয়। তাদের ১৫ মাস বয়সী একটি ছেলে আছে। নানা অজুহাতে আসামিরা মিম্মাকে মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করত। মিম্মা তার স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পিতার বাড়ি চলে আসে। আসামি হানিফ ও তার ছেলে সুজন গত ২৫ মার্চ এসে অত্যাচার করবেনা বলে অঙ্গীকার করে মিম্মাকে নিয়ে যায়। গত ৪ এপ্রিল সকালে আসামিরা তার পরিবারকে জানায় মিম্মাকে সাপে কামড় দিয়েছে। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তখন মিম্মার মৃত্যু সন্দেহজনক হওয়ায় ময়না তদন্তের প্রস্তাব দিলে আসামিরা প্রত্যাখ্যান করে দ্রুত দাফনের ব্যাবস্থা করে। পরে মিম্মার পরিবারের লোকজন খোঁজখবর নিয়ে জানতে পরেন পরিকল্পিতভাবে মিম্মাকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ হত্যার পর সাপের কামড়ে মারা গেছে বলে প্রচার করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে কর্তৃপক্ষ গ্রহণ না করায় তিনি আদালতে মামলা করেছেন।