Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

চৌগাছার পশুহাটে ক্রেতা কম, বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা

এখন সময়: সোমবার, ১৮ মে , ২০২৬, ১২:৪৯:৫৩ এম

বাবুল আক্তার, চৌগাছা : আসন্ন কোরবানী ঈদ উপলক্ষে গবাদি পশুর বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন চৌগাছার খামারিরা। খামারের পাশাপাশি এসব পশু বেচাকেনা হচ্ছে স্থানীয় হাট-বাজারেও। সরকারি হিসেবে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে চলতি বছরে উপজেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে ১৬ হাজার গবাদি পশু। যা উপজেলা চাহিদা মিটিয়ে ৫ হাজার পশু রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানী করা যাবে। তবে বেসরকারি হিসেবে উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে কম পক্ষে ১০ হজার পশু উপজেলার বাইরে বিক্রি করা যাবে বলে খামারিদের ধারণা। তবে খাদ্যের দামের তুলনায় গরুর দাম কম হওয়ায় খামারিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছে। খামারিরা বলছেন,খাদ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে, সে তুলনায় গরুর দাম বলছেন না ক্রেতারা। তাই সব মিলিয়ে কিছুটা লোকসান গুনতে হতে পারে খামারিদের। পৌরসভার বেলেমাঠ এলাকার আবুল কাশেমের এম এ পাশ ছেলে আব্দুল লতিফ। তিনি ২০১৫ সাল থেকে গরু মোটাতাজাকরণ করে আসছেন। তার খামারে ১৫ টি গরু রয়েছে। কোরবানীর আর মাত্র ৯ দিন বাকি। তিনি বলেন এবছর বাজারে ক্রেতা কম। ক্রেতারা দামও কম বলছেন। তিনি বলেন, দিন দিন গো-খাদ্যের দাম বাড়ালেও গরুর দাম তেমন বাড়ছে না। যে কারণে ছোট খামারিদের টিকে থাকাই কষ্টকর। তিনি আশা করছেন এই সময়ের মধ্যে তার গরুগুলো স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়ে যাবে। পৌরসভার বেড়বাড়ি এলাকার সুমন বলেন, ২৫ টি গরু ৭-৮ মাস ধরে মোটাতাজা করেছি। ‘আমার খাদ্য কম কিনলেই হয়। জমিতে ঘাস লাগানো আছে। সেখান থেকে খাবারের চাহিদা মিটে যায়। কোরবনির বাজারে গরুর চাহিদা কম থাকায় গোশের বাজারে বিক্রি করেছি। এতে ভালো লাভ হয়েছে’। উপজেলার রাজাপুর গ্রামের হামিদ, রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বগা বলেন, তারা চারটি করে গরু মোটা তাজা করেছেন। তারা এখনো বিক্রি করতে পারেনি। স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী মান্নান, আলিম, নুরুজ্জমান জানান, চৌগাছার পশু হাটে ঈদের আগের হাট গুলেতে কয়েক কোটি টাকার কেনা বেচা হয়। কিন্তু এ বছরে এখনো সেরকম ক্রেতা সমাগম হচ্ছেনা। অন্যদিকে বেশি টাকা দিয়ে গরু কিনে মোটা তাজা করেছেন খামারিরা। এছাড়া পশু খাদ্যের দামও অনেক বেশি যে কারনে কম মূল্যে বিক্রি করার সুযোগ নেই খামরিদের। একজন খামারি বলেন-উপজেলা প্রাণিসম্পদের হিসেবের চেয়ে উপজেলায় কয়েকগুন বেশি গবাদি পশু রয়েছে। যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানী করা সম্ভব। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আনোয়ারুল কবির বলেন- খামারিরা এবার ন্যায্যমূল্যে গরু বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছি।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)