নিজস্ব প্রতিবেদক : চৌগাছা উপজেলার মাকাপুর গ্রামে সম্পত্তির লোভে পিতার ওপর নির্যাতনকারীরা দুই মেয়ে ফের অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তাদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ওই দুই মেয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজন ও গ্রামবাসী। বুধবার প্রেসক্লাব যশোরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে মাকাপুর গ্রামবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইমামুল হোসাইন মানিক। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, মাকাপুর গ্রামের মৃত হায়দার আলীর তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। তাদের মধ্যে মেয়ে স্নেহলতা পারভীন বিউটি, লাভলী, লাকী এবং তাদের মা লতিফাসহ তাদের ভাই আল ইমরান ও ইমামুল হাসান রুবেল ২০২৩ সালে সম্পদের লোভে নিজেদের পিতা হায়দার আলীর ওপর নির্যাতন চালায় এবং তাকে হত্যার চেষ্টা করে। লন্ডন প্রবাসী মেঝ ছেলে ব্যরিস্টার মোর্তুজা এর প্রতিবাদ জানালে ও পিতাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে ভাড়াটিয়া গুণ্ডাবাহিনী দিয়ে বারবার প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে পুলিশের সহায়তায় মুমূর্ষু অবস্থায় হায়দার আলীকে উদ্ধার করা হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্তরা ইতোপূর্বে জেলও খেটেছেন। মৃত্যুসংক্রান্ত মামলা ও অন্যান্য আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে এবং জমিজমা আত্মসাৎ করতে স্নেহলতা পারভীন বিউটি ও লাকি প্রতিনিয়ত আত্মীয়-স্বজনদের নামে মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গত ২ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালামসহ স্থানীয়দের ওপর যে চাঁদাাবাজি ও জমি দখলের অভিযোগ তোলে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। সংবাদ সম্মেলনে ইমামুল হোসাইন মানিক অভিযোগ করেন, স্নেহলতা পারভীন বিউটির বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১০-১১টি মামলা রয়েছে। এছাড়া বিউটির বড় ভাই রুবেল ২০১৫ সালে চাচা শাহিদুলকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় জেলেও খেটেছেন। তারা বিভিন্ন সময়ে জোরপূর্বক জমি দখল, কৃষকদের পাকা ধান কেটে নেওয়া এবং এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার সাথে জড়িত। তিনি এই চক্রের হাত থেকে গ্রামবাসীকে রেহাই দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিজানুর রহমান রবিউল ইসলাম, কাসেম আলী, আনসার আলী রফিকুল ইসলাম নজরুল ইসলাম প্রমূখ।