বিল্লাল হোসেন : রোগীর অতিরিক্ত চাপের কথা বিবেচনা করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর আগে হাসপাতালটি ৩০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা যায় কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে রোগীর চাপ দ্বিগুণ লক্ষ্য করলাম। এখানে শয্যা বাড়ানো প্রয়োজন। হাসপাতালটি ৩০০ শয্যা করার পরিকল্পনার জায়গায় ৫০০ শয্যা করা যায় কি না, সেটি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব।’ পরিদর্শনকালে যুগ্মসচিব হাসপাতালের আইসিইউ, সিসিইউ, এনজিওগ্রাম ইউনিট ও মডেল ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যুগ্মসচিব বলেন- প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ছিল যশোরে পূর্ণাঙ্গভাবে করোনারি কেয়ার ইউনিট চালু করা। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেই ইচ্ছা পূরণের চেষ্টা করছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এখানে পূর্ণাঙ্গ করোনারি ইউনিট চালু করা হবে। এদিকে, হাসপাতালের রোগীদের জিম্মি করে স্বেচ্ছাসেবীদের বাণিজ্য করার অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন- রোগী ও স্বজনদের জিম্মি করে কোনো ধরনের বাণিজ্য বা হয়রানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অ্যাডমিন অফিসার কামরুজ্জামান সোহরাব, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত, যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, চক্ষু বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. হিমাদ্রি শেখর, কার্ডিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. ফজলুল হক খালিদ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহসান কবির বাপ্পি, গণপূর্ত বিভাগ যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী মারুফ হাসান প্রমুখ।