নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সেনানিবাসে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শেখ মোয়াজ্জেম নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটক মোয়াজ্জেম নড়াইল কালিয়া থানার মির্জাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নড়াইলের কালিয়া থানার জোকা-মুসাহাটি গ্রামের মোঃ তাছফির খান শান্ত (১৯) নামের এক তরুণের সঙ্গে শেখ মোয়াজ্জেমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে মোয়াজ্জেম যশোর সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর জিডি ট্রেডে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেন তফসিরকে । এ জন্য তিনি ৮ লাখ টাকা নেবেন বলে তাছফির ও তার পরিবারের সঙ্গে চূড়ান্ত কথা বলেন। চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে মোয়াজ্জেম একটি ব্ল্যাংক চেক ও তিনটি ১০০ টাকার স্ট্যাম্প নেন তাফসিলের পরিবারের কাছ থেকে। পরে গত ১৯ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে তাছফির, তার বাবা ও চাচাকে সঙ্গে নিয়ে যশোর সেনানিবাসের নিয়োগ মাঠে যান মোয়াজ্জেম। এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা মোয়াজ্জেমকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখে সন্দেহ করেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন সেনাসদস্যরা তার মোবাইলে তাছফিরের ছবি ও মোবাইল নম্বর পান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানান। এ ঘটনায় তাছফির খান শান্ত বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় শেখ মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মোয়াজ্জেমকে আটক করার পর বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।