মনিরুল ইসলাম মনি, সাতক্ষীরা : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় কলকাতা মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের ২ জনের বাড়ি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালিগ্রাম। নিহত স্বজনদের মরদেহ ফেরার অপেক্ষায় সেখানে এখন চলছে শোকের মাতম। বুধবার (১৯ আগষ্ট) তাদের গ্রামের বাড়িতে খবর পৌঁছানোর পর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা। নিহত আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫) কালিগঞ্জের তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত. ইউনুচ সরদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ঘের ব্যবসায়ী এবং অপরজন একই উপজেলার পশ্চিম তারালী গ্রামের ভাবেশ কুমার সরকারের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী রেবুতি রানী সরকার। নিহত সাজুর নিকটাত্মীয় মোখলেছুর রহমান পল্টু জানান, কোমরে ব্যাথার জন্য চিকিৎসক দেখাতে ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে যায়। বুধবার বাড়িতে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু রাত ১০টার দিকে বাড়িতে খবর আসে হোটেলে অগ্নিকান্ডে সে নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের মরদেহ কবে আসবে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবারের স্বজনরা। এদিকে নিহত রেবুতি রানী সরকার দীর্ঘদিন কলকাতাতে তার ছেলে মেয়ে লেখাপড়ার কারণে কলকাতাতেই বসবাস করতেন। বাংলাদেশের তার স্বামী ছাড়া আর কেউ থাকে না। উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে আগুন লাগে। এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশী নাগরিক।