নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে কয়েক হাজার কেফুক্লেভ ট্যাবলেটের হিসাব মিলছে না-এমন অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের ফার্মেসির ইনচার্জ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এসব ওষুধ গায়েব করার অভিযোগ প্রচার করা হলেও তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ জুন ফার্মাসিস্ট ইনচার্জ জহুরুল ইসলাম মেডিসিন স্টোর রেজিস্টারে স্বাক্ষর করে ৫ হাজার পিস কেফুক্লেভ ট্যাবলেট উত্তোলন করেন। অভিযোগ উঠেছে, উত্তোলন করা এসব ট্যাবলেটের একটি অংশ হাসপাতালের ফার্মেসি থেকে যথাযথভাবে রোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৪০০ পিস ট্যাবলেটের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ফার্মেসির ইনচার্জ জহুরুল ইসলাম বলেন- ৫ হাজার কেফুক্লেভ ট্যাবলেটের মধ্যে দুই হাজারের বেশি পিস এখনো মজুত রয়েছে। বাকি ট্যাবলেট রোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বার্থ হাসিলের জন্য একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ইনচার্জ পদ দখলের উদ্দেশ্যে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্ত হলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।’ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহসান কবীর বাপ্পি জানান- তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশে শনিবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে। তদন্তের পর কেফুক্লেভ ট্যাবলেটের হিসাবের গরমিল কিংবা গায়েব হওয়ার অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াত বলেন, ‘কেফুক্লেভ ট্যাবলেট গায়েব করা হয়েছে এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। এ কারণে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই প্রকৃত ঘটনা বলা সম্ভব হবে।’