স্পন্দন ডেস্ক : যশোরসহ বিভিন্নস্থানে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। এ উপলক্ষে বিজয়স্তম্ভে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ ছিল দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি। জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো এর আয়োজন করে। প্রতিনিধিদের পাঠানো বিস্তারিত-
যশোর :
বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় টাউনহল ময়দানের স্বাধীনতা উন্মুক্তমঞ্চে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনাসভা । জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান এতে সভাপতিত্ব করেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, যুদ্ধকালিক বৃহত্তর যশোরের মুজিব বাহিনীর প্রধান আলী হোসেন মনি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক আব্দুল লতিফ ও যুগ্ম আহবায়ক মতিয়ার রহমান। আরো বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, উপজেলা কমিটির আহবায়ক নজরুল ইসলাম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস। সভা শুরুরে কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা সমবেত কন্ঠে পরিবেশন করে জাতীয় সংগীত। দিবসটি উপলক্ষে সকালে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড প্রাঙ্গনে বিজয়স্তম্ভে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষথেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্যরা হলেন জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান , পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যন নার্গিস বেগম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দোলোয়ার হোসেন খোকন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম শাহীন, পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দোলোয়ার হোসেন খোকনের নেতৃত্বে জেলা বিএনপি, জাসদ, বিপ্লবী কমিউনিষ্ট লীগ, সিপিবি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সিভিল সার্জন অফিস, যশোর মেডিকেল কলেজ, জেনারেল হাসপাতাল, বিএমএ যশোর, স্বাচিপ যশোর, পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য বিভাগ, গণপূর্ত অধিদপ্তর বিভাগ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি, জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিস, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর, এল.জি.ই.ডি, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, উপ মহাব্যবস্থাপক টেলিকম, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, বাংলাদেশ রেলওয়ে, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, জেলা শিক্ষা অফিস, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, তুলা উন্নয়ন বোর্ড, প্রেসক্লাব যশোর, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন (জেইউজে), সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর, যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন, দৈনিক স্পন্দন, দৈনিক বাংলার ভোর, দৈনিক নতুন সকালের বার্তা, লোকসমাজ, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন যশোর জেলা শাখা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, যশোর ইনস্টিটিউট, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা শিশু একাডেমি, তথ্য অফিস, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, রূপালী ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড, জেলা সরকারি গণ গ্রন্থাগার, যশোর সরকারি এম.এম কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, যশোর সরকারি মহিলা কলেজ, যশোর জিলা স্কুল, ডা.আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ, যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, বিসিএমসি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়, বাংলাদেশ টেকনিক্যাল কলেজ, যশোর হোমিওপ্যাথিক কলেজ ও হাসপাতাল, যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, সনাতন ধর্ম সংঘ, বাঁচতে শেখা যশোর, জয়তী সোসাইটি যশোর, এডাব যশোর, সদর উপজেলা বিএনপি, যশোর নগর বিএনপি, জেলা মহিলা দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাসদ, জেলা জাকের পার্টি, জাসদ (জেএসডি), জাগপা, যশোর ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, পরিবহন সংস্থা শ্রমিক ইউনিয়ন, বাম গণতান্ত্রিক জোট, মটর পার্টস ব্যবসায়ী সমিতি যশোর, যশোর ফল ব্যবসায়ী সমিতি। উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, সুরবিতান সঙ্গীত একাডেমি, কিংশুক, স্পন্দন, চাঁদের হাট, বিবর্তন, মাইকেল সংগীত একাডেমী, পুনশ্চ যশোর । সন্ধ্যায় দিবসটি উপলক্ষে টাউনহল ময়দানের স্বাধীনতা উন্মুক্তমঞ্চে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমিসহ জেলা সব সংগঠনের শিল্পীরা পরিবেশন করে সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য। সন্ধ্যা থেকে রাত্রী নয়টা পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান উপভোগ করে দর্শক। এই অনষ্ঠানের মাঝে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শিশু একাডেমি আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুনষ্কার বিতরণ করা হয়। জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) সুজন সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক আব্দুল লতিফ, সদস্য সচিব আব্দুল মালেক ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস এসময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সকালে যশোর স্টেডিয়ামে আনসার, ভিডিপি, স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, গার্লসগাইড সহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে মনোমুগ্ধকর কুজকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠানে।
যবিপ্রবি :
সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, যশোর শহরস্থ বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনাসহ নানা কর্মসূচিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার যবিপ্রবির মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় সূর্যোদয়ক্ষণে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। সকাল ১০টায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুনের নেতৃত্বে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নিয়ে যশোর শহরের মণিহারে বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, দেশের উন্নয়ন ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের নানা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. ইমরান খান, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এস. এম. নুর আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।
এছাড়া যশোর সদরের ইছালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মহান স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আজিজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রেজাউল হক, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ, বিএনপি নেতা আবু দাউদ হায়দার এবং অভিভাবক অলিয়ার রহমান।
মোংলা :
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মোংলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের যুদ্ধজাহাজ সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দিবসটি উপলক্ষে নৌবাহিনীর দিগরাজ নেভাল জেটিতে যুদ্ধজাহাজ বিএনএস আবু বকর এবং কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তর জেটিতে বিসিজিএস কামরুজ্জামান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে এসব যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শনের সুযোগ পেয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে ভিড় করেন। পরিদর্শনকালে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা আগত দর্শনার্থীদের জাহাজগুলোর সক্ষমতা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং অপারেশনাল কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেন।
কেশবপুর :
সকালে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন বিজয়স্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশনেন যশোর-৬ কেশবপুর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন, কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, পৌর জামায়াতের আমীর প্রভাষক জাকির হোসেন, এনসিপির উপজেলা সম্বন্নয়ক মোঃ সম্রাট হোসেন প্রমুখ।
কপিলমুনি :
পুষ্পস্তবক অর্পণ করে সম্মিলিত উদযাপন পরিষদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কপিলমুনি কলেজ, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল এন্ড কলেজ, কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, বিনোদ বিহারী শিশু বিদ্যালয়, কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা বহুমুখী সমবায় সমিতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ হরিঢালী ইউনিয়ন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোড়ল আব্দুস সালাম কল্যাণ ট্রাস্ট, বিনোদ বিহারী শিশু বিদ্যালয় ও কে কে এসপি। শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শহীদদের জন্য দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ রুহুল কুদ্দুস। সকাল দশটায় কপিলমুনি কলেজে অধ্যক্ষ মো: হাবিবুল্যাহ বাহারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আখতার শম্পা, সমাজ সেবক এম বুলবুল আহম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার ফারুখ আহমেদ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুজ্জামান, বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাড. বিপ্লব কান্তি মন্ডল, এস আই আব্দুস সবুর মিয়া, সমাজসেবক অজয় সাধু, শিক্ষক নজরুল ইসলাম প্রমুখ। সভাটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক শেখ ময়েজ।
লোহাগড়া :
সকাল সাড়ে ৭ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে উপজেলা প্রশাসন, লোহাগড়া থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ও ভিডিপি, লোহাগড়া প্রেসক্লাব, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও তার সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। পরে লক্ষীপাশা মোল্যার মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক কবুতর উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সার। সকল সাড়ে ৮ টায় লোহাগড়া লক্ষীপাশা মোল্যার মাঠে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস, স্কাউটস, বিএনসিসিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সার। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন লোহাগড়া থানার ওসি আব্দুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শিকদার মকবুল হোসেন। পরে বেলা ১১ টায় লক্ষীপাশা আদর্শ বিদয়ালয় মাঠে জিয়া মঞ্চে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী কায়সারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন নড়াইল-২ আসনের এমপি আতাউর রহমান বাচ্চু। নড়াইল জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ টিপু সুলতানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন লোহাগড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক সাদিয়া সুলতানা, লোহাগড়া থানার ওসি আব্দুর রহমান প্রমুখ।
জীবননগর :
জীবননগর থানা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনের মাধ্যমে কুচকাওয়াজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম রাসেল। বিশেষ অতিথি ছিলেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ, জীবননগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার জুয়েল শেখ, কৃষি অফিসার আলমগীর হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমাজসেবা অফিসার নুর আলম, জীবননগর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আতিয়ার রহমান ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার।
কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) :
সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলা প্রশাসন, কালিগঞ্জ থানা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সন্তান কমান্ড, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাব, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজ, সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী পার্কের বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল ৮টায় সরকারি কবরস্থানে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এ সময় পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার-ভিডিপি, স্কাউট ও রোভারদের সমন্বয়ে কুচকাওয়াজ ও প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। প্যারেড পরিদর্শন করেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাইনুল ইসলাম খাঁন এবং কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জুয়েল হোসেন। সকাল ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম খাঁনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
বাগেরহাট :
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। জেলা স্টেডিয়ামে আনুস্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহন করা হয়। সকাল ১১টায় বীরমুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে জেলা স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুস্ঠিত হয়। এছাড়া মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দুপুরে জেলা কারাগার, সরকারি হাসপাতাল, সরকারি শিশু পরিবার ও এতিম খানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
শরণখোলা (বাগেরহাট) :
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অন্যান্য অফিসার বৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল শরণখোলা শাখার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্প মাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, বাংলাদেশ পুলিশ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি শরণখোলা ও বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে? রায়েন্দা সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ জাহিদ হাসান। এরপর কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শিত হয়। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন মিলনায়তনে নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ জমাদার, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃ বাদশা মিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল হাই, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শিশির কুমার ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ধনঞ্জয় মন্ডল। বীরমুক্তিযোদ্ধাদের উপহার প্রদান করেন নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জাহিদ হাসান।
মাগুরা :
সকাল ৬ টায় নোমানি ময়দানে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় । জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মাগুরা শাখা , মাগুরা পৌরসভা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মাগুরা প্রেসক্লাব, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। সকাল ৮ টায় মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শন হয়। বেলা বারোটায় মাগুরা জেলা অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বাদ জোহর সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেয়ী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়। বিকাল ৪ টায় কালেক্টরেট মাঠে অনুষ্ঠিত হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ । সন্ধ্যা ছয়টায় জেলা অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
আশাশুনি :
উপজেলা শহীদ স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাশ গুপ্ত’র নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও অফিসার্স ক্লাব, থানা অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খানের নেতৃত্বে আশাশুনি থানা পুলিশ, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, উপজেলা জামায়াত ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন, অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে আশাশুনি সরকারি কলেজ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিস, উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স টিম, আশাশুনি মহিলা কলেজ, মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর ইউনিয়ন পরিষদ, আশাশুনি প্রেসক্লাব ও আশাশুনি আঞ্চলিক প্রেসক্লাব, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, আশাশুনি বাজার বণিক সমিতি ও হাট-বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, আশাশুনি ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাব সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
খুবি :
সকাল ৭টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী ও বিভিন্ন স্কুলের ডিনবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাস থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে গল্লামারী বধ্যভূমিতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, পরিচালকসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রভোস্ট কাউন্সিল ও বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকল শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও সকাল ৯টায় মন্দিরে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলমডাঙ্গা :
পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন। চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার, থানা অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরাইল সালাম গ্রহণ করেন। পরে কুচকাওয়াজ ও মনোমুগ্ধকর শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
ডুমুরিয়া :
সকাল ৬টায় উপজেলা স্বাধীনতা স্মৃতি সৌধ বেদীতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মধ্যদিয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। থানা পুলিশ, খর্ণিয়া হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস, ডুমুরিয়া কলেজ, সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি, যুবসংঘ ক্লাব ও বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠন, এনজিও, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। পরে ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে কুচকাওয়াজ, মনোজ্ঞ ডিসপ্লে ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদানসহ চিত্রাঙকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্যদিয়ে দিবসের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। লাল-সবুজ ও সাদা পোশাকে ডুমুরিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মোহাম্মদ আলি আসগার লবি এমপি। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার।
ফুলতলা (খুলনা) :
শহীদ স্মৃতি ফলকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আজগার লবি, ইউএনও সুচি রানী সাহাসহ উপজেলার বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ। পরে অনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় ডাবুরমাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী করা হয়। এরপর সকাল ১০টায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে সমাবেশ ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালিত হয়। বেলা ১১টায় উপজেলা শহীদ হাবিবুর রহমান মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুচি রানী সাহার সভাপতিত্বে কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে নাগরিক আন্দোলন ফুলতলা শাখার উদ্যোগে সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন অন্যান্যরা।
পাইকগাছা (খুলনা) :
কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে পুষ্পস্তবক অর্পণে শ্রদ্ধা নিবেদন করে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, থানা পুলিশ, উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন, প্রেসক্লাব পাইকগাছা, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, পৌরসভা, লোনাপানি কেন্দ্র, ষোলআনা সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সকাল ৮টায় পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, দোয়া ও মোনাজাত, প্রার্থনা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং মহিলাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা হয়। দিবসটির অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী।