নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে ধারের টাকা পরিশোধ না করায় প্রতারণার দায়ে ইটভাটা ব্যবসায়ী মুরাদ হোসেনকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড আদেশ দিয়েছে একটি আদালত। সোমবার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এক রায় এ আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত মুরাদ হোসেন যশোর সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যশোর শহরতলীর চাঁচড়া এলাকার বাসিন্দা মাসুম মোড়লের সাথে আসামি ইটভাটা ব্যবসায়ী মুরাদ হোসেনের পূর্ব পরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। ব্যবসায়িক সমস্যার কথা জানিয়ে মুরাদ আর্থিক সহযোগিতা চান মাসুম মোড়লের কাছে। ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মুরাদ হোসেনকে নগদ ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ধার দেন। টাকা গ্রহণের সময় আসামি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা ও তার নিজস্ব ব্যাংক হিসাবের একটি চেক মাসুম মোড়লকে প্রদান করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পর মুরাদ হোসেন টাকা ফেরত দেননি। ২০২২ সালের ২৭ জুন বিকেলে আসামি মুরাদ হোসেনের কাছে পাওনা টাকা চাইলে দিতে অস্বীকার করেন। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে মাসুম মোড়ল ২৮ জুন আদালতে মামলা করেন। এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে চার বছর সশ্রম কারাদণ্ড ৫ হাজার টাকা জরিমান, অনাদায় আরও এক মাসের কারাদণ্ডার আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত মুরাদ হোসেন পলাতক রয়েছে।