Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

মণিরামপুরে বেড়িবাঁধ ধসে নতুন করে ৫ গ্রাম প্লাবিত,‘মরার ওপর খাড়ার ঘা’

এখন সময়: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই , ২০২৬, ১১:০৯:১২ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক, মণিরামপুর : মুক্তেশ্বরী নদীর বেড়িবাঁধ ধসে গিয়ে নতুন করে যশোরের মণিরামপুরের ৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ যেন ভবদহ বিলপাড়ের মানুষের কাছে ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা’-এ রুপ নিয়েছে। দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামত না করা হলে নতুন আরও অনেক গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছে ভবদহ বিলপাড়ের মানুষ। উপজেলার লখাইডাঙ্গা গ্রাম সংলগ্ন মুক্তেশ্বরী নদী ও বিল কেদেরিয়ার ৩ নম্বর বেড়িবাঁধ ধসে গিয়েছে। গত কয়েকদিনের টানা আকাশ বৃষ্টি ও উজানের ঢল ভবদহ স্লুইচগেট দিয়ে নিষ্কাশিত না হওয়ায় ভবদহ সংলগ্ন অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়কসহ উপসনালয়। ভেসে গেছে শত শত মাছের ঘের। এতে পানিবন্দি হয়ে প্রায় এক লাখ মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। এদিকে ১শ’ ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী ও খালের ৮১.৫ কিলোমিটার খনন কাজ ভবদহ বিলের পাড়ের মানুষের দুর্ঘোব লাঘোবে আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে ফের জলাবদ্ধ হওয়ায় সেই আশা এখন নিরাশায় পরিণত হয়েছে। আর বেড়িবাঁধ ধস নতুন করে ‘গোদের ওপর বিষফোঁড়া’ দেখা দিয়েছে। অবশ্য গত কয়েকদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের বাধার কারণ চিহ্নিত করে গত রোববার থেকে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে পানি নামতে শুরু করলেও বেড়িবাঁধ ভাঙায় তাদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে। এতে করে উপজেলা পাঁচাকড়ি, বালিদহ, নেহালপুর, লখাইডাঙ্গা, দিঘলিয়া, পোড়াডাঙ্গা নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। তবে, দ্রুতই পানির বন্দীদশা থেকে মুক্তি মিলবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি। জানা যায়, প্রায় ১শ’৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে গেলো বছরের অক্টোবর মাস হতে সেনাবাহিনীর অধীনে খনন কাজ শুরু হয়। ভবদহ সংলগ্ন হরিহর, হরি,তেলেগাতী, আপার ভদ্রা, টেকা ও শ্রী নদী এই খননের আওতায় ছিল। এরমধ্যে হরি ও তেলেগাতী নদীর ২০ কিলোমিটার এবং টেকা নদীর ৭ কিলোমিটার খনন কাজ শেষ হয়েছে। সরেজমিন গিয়ে চোখে পড়ে ভবদহ স্লুইচগেটের কপাট উঠা-নামা করছে না। আকাশ বৃষ্টি ও উজানের পানি নিষ্কাশনে ৪টি পাম্প দিয়ে সেচ কাজ চলছে এবং আরও ৫টি পাম্প স্থাপনের কাজ চলমান। কিন্তু খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেরার খর্ণিয়া তেলেগাতী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে খনন কাজ করায়, বাঁধের বিপরীতে ৫শ’ থেকে ৬শ’ মিটার দূরে নদীর বুকে পলি জমায় পানি নিস্কাশন বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় এই জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। এতে অভয়নগর, মণিরামপুর, কেশবপুর ও ডুমুরিয়া উপজেলার প্রায় ৫০টি গ্রাম সম্পূর্ণ ও আংশিক প্লাবিত হয়েছে। আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় ভাবিয়ে তোলে পাউবোসহ সংশ্লিষ্টদের। ডুমুরতলা গ্রামের স্কুল শিক্ষক প্রভাষ বিশ্বাস বলেন, গ্রামের ৫৫টি বাড়ির মধ্যে ৬টি ছাড়া বাকিগুলো পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী বলেন, কারণ চিহ্নিত করেই সেনাবাহিনীর সাথে কথা বলেই গত রোববার থেকে পলি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)