নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বন্যাদুর্গত ৩১০টি অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও গৃহনির্মাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে জেলা ইমাম পরিষদ যশোর। গত ১ ও ২ আগস্ট (শনিবার ও রবিবার) যশোর জেলা ইমাম পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে এই ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। দুই দিনের এই কার্যক্রমে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাপাছড়ি, বাহারছড়া, কাথরিয়া, জলদী, সরল, ছনুয়া ও শেখেরখীল অঞ্চলের ৬টি স্থানে এবং কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বড়পাড়া, টইটং, পুরাদিয়া, মগনামা, গর্জনিয়া, শিকদারপাড়া ও নাপিতখালীসহ ৭টি ইউনিয়নে সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে তাদের মাঝে নগদ টাকা ও ঘর মেরামতের জন্য ঢেউটিন বিতরণ করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ১০ লক্ষাধিক টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ বিতরণকালে জেলা ইমাম পরিষদ যশোরের সেক্রেটারি মাওলানা বেলায়েত হোসেন বলেন, “যশোরবাসীর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণেই সুদূর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের অধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে এই অনুদান পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।” সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ যশোরবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও ক্রান্তিলগ্নে সর্বস্তরের মানুষকে ইমাম পরিষদের পাশে থাকার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, শুক্রবার বাদ জুমআ যশোরের গাড়ীখানা থেকে ১০ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মাওলানা হামিদুল ইসলাম, মুফতি শামসুর রহমান, সহ-সম্পাদক মুফতি আব্দুর রহমান এজাজি, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি কামরুল আনোয়ার নাঈম, কোষাধ্যক্ষ মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মুফতি আমানুল্লাহ কাসেমী, মুফতি কবিরুল ইসলাম, মুফতি আব্দুল হান্নান ও মাওলানা সালাহউদ্দিন।